মাগুরা প্রতিনিধি
খামারি মোমিন মুন্সি তার আদরের ষাঁড় কালুকে নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।
প্রায় তিন বছর ধরে সন্তানের মতো যত্নে লালন-পালন করা বিশাল আকৃতির গরুটি কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় এখনো বিক্রি করতে পারেননি।
মোমিন মুন্সির বাড়ি মাগুরা সদরের কছুন্দি ইউনিয়নের বাগবাড়িয়া গ্রামে।
তিনি জানান, প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ গরুটি দেখতে তার বাড়িতে আসছেন। অনেকে দামও বলছেন। কিন্তু প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় গরুটি বিক্রি করেননি। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে তার উৎকণ্ঠা।
তিনি বলেন, গত তিন বছর ধরে কালুকে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করেছি। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কাঁচা ঘাস, খৈল, ভুষি, ভুট্টা, ডালের গুঁড়া, খড় ও চিটাগুড় খাইয়েছি।
প্রায় ৫ ফুট উচ্চতা ও ১০ ফুট দৈর্ঘ্যের কালো রঙের এই ষাঁড়টির ওজন প্রায় ২০ মণ। গায়ের রঙ কালো হওয়ায় আদর করে গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘কালু’।
মোমিন মুন্সি জানান, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ঢাকা বা চট্টগ্রামের বড় বাজারে গরুটি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে, বাড়িতে রেখেই বিক্রির চেষ্টা করছেন। তার দাবি, তিন বছরে গরুটির পেছনে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়েছে এবং বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ টাকা খরচ হয় শুধু তার খাবারের জন্য।
তিনি বলেন, বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী গরুটি বিক্রি করতে চাই।