যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

যশোর আমিনিয়া মাদরাসার সভাপতির মনোনয়ন হাইকোর্টে স্থগিত

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : বুধবার, ১৩ মে,২০২৬, ১১:১৯ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে,২০২৬, ১২:০৭ এ এম
যশোর আমিনিয়া মাদরাসার সভাপতির মনোনয়ন হাইকোর্টে স্থগিত

যশোর আমিনিয়া কামিল মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে নুরুল ইসলামের মনোনয়ন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১২ মে) মহামান্য হাইকোর্টের বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি কেএফএম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এক রিটের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিট শুনানিতে অংশ নেওয়া ব্যারিস্টার শেখ আবু মুসা মোহাম্মদ আরিফ।

ব্যারিস্টার আরিফের সঙ্গে আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী। বাদী অ্যাডভোকেট কাজী জাকারিয়াও শুনানিতে সহায়তা করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিক্ষিত, গ্রহণযোগ্য ও সামাজিক ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে যশোরের আমিনিয়া মাদরাসার সভাপতি মনোনীত করার দাবি ওঠে। স্থানীয়রা যশোর সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর দেলোয়ার হোসেনসহ তিনজন অধ্যাপকের নামের প্যানেল প্রস্তাব করেছিলেন। তবে, সেই প্রস্তাব উপেক্ষা করে নানা বিতর্কে জড়িত আমিনিয়া মাদরাসার সাবেক উপাধ্যক্ষ নুরুল ইসলামের নাম সভাপতি হিসেবে পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দিয়ে চিঠি পাঠায়। এতে মাদরাসার অভিভাবক, বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

পরে মাদরাসার বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও আইনজীবী কাজী জাকারিয়া এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। রিট পিটিশন নম্বর- ৫২৬৪/২০২৬। মঙ্গলবার ওই রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানি শেষে আদালত ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ২৩ এপ্রিল জারিকৃত মেমোর মাধ্যমে নুরুল ইসলামকে সভাপতি হিসেবে মনোনয়নের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। একইসঙ্গে আদালত রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, কেন এই নিয়োগ অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।

এর ফলে হাইকোর্টের আদেশে কার্যত নুরুল ইসলামের সভাপতির দায়িত্ব স্থগিত হয়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

রিটে উল্লেখ করা হয়, নুরুল ইসলাম পূর্বে একই মাদরাসার উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন শৃঙ্খলাভঙ্গ, আর্থিক অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হন। এছাড়া জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করে অন্য এক শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বাদী অ্যাডভোকেট কাজী জাকারিয়া বলেন, এসব অভিযোগ ও বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও মাদরাসার অ্যাডহক কমিটি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবিত তিন সদস্যের প্যানেল উপেক্ষা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে তাকে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেয়। এতে জনমনে নৈতিক ও আইনি প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। পরে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হলে আদালত নুরুল ইসলামের সভাপতি হিসেবে দেওয়া চিঠির কার্যকারিতা স্থগিত করেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)