মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
নিজ ঘরে ছয় বছরের শিশুকে ডেকে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গির সময় দেখে ফেলেন স্ত্রী। এরপর শিশুটির স্বজনদের ডেকে স্বামীকে শাসাতে বলেন। পরে লোকজন জড়ো হয়ে মারধর করে তাকে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী।
বুধবার সকালে উপজেলার হেলাঞ্চি আশ্রয়ণ পল্লীতে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মফিকুল ইসলাম (৩৭)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় ভ্যানচালক।
এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন মেয়েটির মা। পরে পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করেছে।
খেদাপাড়া ক্যাম্প পুলিশের এএসআই নির্মল গাইন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা হেলাঞ্চি গুচ্ছ গ্রামে যাই। সেখানে স্থানীয়রা মারধর করে মফিকুল নামে একজনকে ধরে রাখে। মফিকুল স্বীকার করেছে গুচ্ছ গ্রামের একটি শিশুকে সে তার ঘরে মুড়ি খাওয়ার জন্য ডাকে। পরে শিশুটিকে বিবস্ত্র করে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করে। এসময় লোকজন তাকে ধরে ফেলে। পরে আমরা মফিকুলকে গ্রেপ্তার করি।’
মফিকুলের স্ত্রী সাথী খাতুন বলেন, ‘সকালে মেয়েকে নিয়ে স্কুলে দিতে যাই। ফিরে এসে দেখি, ঘরের ভেতরে আমার স্বামী পাশের ঘরের একটা মেয়েকে ডেকে নিয়ে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করছে। পরে মেয়েটির দাদিকে ডেকে তাকে শাসাতে বলি। কিন্তু তিনি আমার স্বামীকে মারধর করে ঘর থেকে বাইরে নিয়ে যান। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে লোকজন এসে ওকে মারধর করে।’
মণিরামপুর থানার ওসি আবু সাঈদ বলেন, মফিকুলের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।