কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
২০২৭ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল অর্জন ও লেখাপড়ায় মনোযোগী করাসহ ভীতি কাটাতে প্রথমবারের মতো প্রাক-মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন যশোরের কেশবপুরে পরীক্ষার্থীদের তিনটি বিষয়ের ওপর প্রাক-মূল্যায়ন পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে।
শনিবার সকাল ১০টা থেকে পাঁচটি কেন্দ্রে ১১৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসা থেকে দুই হাজার ৪৫০ শিক্ষার্থী এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করলেও দুই হাজার ২৯৫ জন নেয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৭ সালে কেশবপুর উপজেলা থেকে মাধ্যমিক ও মাদরাসা থেকে দুই হাজার ৬০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে বলে রেজিস্ট্রেশন করেছে।
ছেলে-মেয়েদের এসএসসির ফলাফল ভালোসহ তাদের পরীক্ষাভীতি দূর করতে উপজেলা প্রশাসনের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। শনিবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে ইংরেজি (প্রথম পত্র) পরীক্ষা হয়। আসছে শনিবার ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র এবং পরবর্তী শনিবার সাধারণ গণিত পরীক্ষা নেওয়া হবে।
শহরের কেশবপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বাহরুল উলুম কামিল মাদরাসা, মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, পাঁজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সাগরদাঁড়ী এমএম ইনস্টিটিউশনসহ পাঁচটি কেন্দ্রে ১১৩টি প্রতিষ্ঠানের মোট দুই হাজার ২৯৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
২০২৬ সালে কেশবপুর থেকে প্রায় দুই হাজার ৬০০ শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ে পাসের হার ছিল ৫৩% এবং দাখিলে ছিল ৪৭%। গড় পাসের হার ছিল ৫০%। একারণে আসছে বছর পরীক্ষার্থীদের যেন ভালো ফলাফল হয়, সেজন্য উপজেলা প্রশাসন আগাম প্রাক-মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, ২০২৬ সালে এসএসসি ও দাখিলের ফলাফল ভালো না হওয়ায় মূলত এই উদ্যোগ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘কেশবপুরে যোগদান করার পর জানতে পারি, ২০২৬ সালের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছেলে-মেয়েরা ভালো রেজাল্ট করতে পারেনি। আগামী বছর যেন তারা ভালো করতে পারে সেজন্য প্রাক-মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। আশা করি, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় তারা ভালো ফলাফল করবে।’